1. alhasansarkar@gmail.com : alhasansarkar :
  2. atowarrana0@gmail.com : Atowar :
  3. tusherimran1@gmail.com : bnreporter :
  4. raihanmia61@gmail.com : Raihan Sheikh : Raihan Sheikh
  5. shehan@gmail.com : Shehan :
  6. test@gmail.com : Test :
ভূমিকম্প কী? এবং কেন হয়? - Bangla Reporter
শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন

ভূমিকম্প কী? এবং কেন হয়?

নিউজ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৫ বার পঠিত
ভূমিকম্প কী

ভূমিকম্প বলতে পৃথিবীপৃষ্ঠের অংশ বিশেষের হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তন বা আন্দোলনকে বোঝায়। হঠাৎ বুঝতে পারলেন আপনার ঘরের কোনো জিনিস নড়ছে, দেয়ালের ঘড়ি, টাঙানো ছবিগুলো নড়ছে, আপনিও ঝাঁকুনি অনুভব করছেন, তখন বুঝতে হবে ভূমিকম্প হচ্ছে।

ভূমিকম্প বা ভূকম্পনঃ ভূ মানে পৃথিবী আর কম্পন হলো কাঁপা; সোজাভাবে ভূমিকম্প হলো পৃথিবীর কেঁপে ওঠা। তার মানে পৃথিবী যখন কাঁপে তখন আমরা তাকে ভূমিকম্প বলি। পৃথিবীতে বছরে গড়ে কত ভূমিকম্প হয়, শুনলে কপালে উঠতে পারে চোখ। বছরে গড়ে ছয় হাজার ভূমিকম্প হয়।
তবে এগুলোর অধিকাংশই মৃদু যেগুলো আমরা টের পাই না।

সাধারণত তিন ধরনের ভূমিকম্প হয়ে থাকে- প্রচণ্ড, মাঝারি ও মৃদু। আবার উৎসের গভীরতা অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়- অগভীর, মধ্যবর্তী ও গভীর ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূপৃষ্ঠের ৭০ কিলোমিটারের মধ্যে হলে অগভীর, ৭০ থেকে ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে হলে মধ্যবর্তী এবং ৩০০ কিলোমিটারের নিচে হলে গভীর ভূমিকম্প বলে।

ভূমিকম্পের কারণ হিসেবে ছোটবেলায় গল্প শুনতাম, পৃথিবীটা একটা বড় ষাঁড়ের শিংয়ের মাথায়। ষাঁড়টা যখন এক শিং থেকে অন্য শিংয়ে পৃথিবীটা নিয়ে যায় তখন সবকিছু কেঁপে ওঠে।
আর ভাবতাম, এজন্যই ভূমিকম্প হয়।

ভূমিকম্পের কারণ এটা নয় বটে, তবে পৃথিবীর গভীরে ঠিকই একটা পরিবর্তন হয়। সাধারণত তিনটি প্রধান কারণে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়ে থাকে।
১. ভূপৃষ্ঠজনিত ২. আগ্নেয়গিরিজনিত ৩. শিলাচ্যুতিজনিত
পরিমাপ সিসমোগ্রাফ আবিষ্কারের আগে মানুষ শুধু বলতে পারত ভূমিকম্প হয়ে গেছে। কিন্তু কোন মাত্রায় হলো, বলা সম্ভব ছিল না।

আধুনিক সিসমোগ্রাফের বয়স প্রায় ১৫০ বছর+। ভূমিকম্প মাপা হয় দুইভাবে- তীব্রতা এবং প্রচণ্ডতা বা ব্যাপকতা। ভূমিকম্পের মাত্রা মাপা হয় রিখটার স্কেলে।
স্কেলে এককের সীমা ১ থেকে ১০ পর্যন্ত। রিখটার স্কেলে মাত্রা ৫-এর বেশি হওয়া মানে ভয়াবহ দুর্যোগের আশঙ্কা।
মনে রাখতে হবে, ভূমিকম্প এক ডিগ্রি বৃদ্ধি পেলেই এর মাত্রা ১০ থেকে ৩২ গুণ বৃদ্ধি পেতে পারে।
রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ – ৫.৯৯ মাঝারি, ৬ – ৬.৯৯ তীব্র, ৭ – ৭.৯৯ ভয়াবহ, ৮ – এর ওপর অত্যন্ত ভয়াবহ।

ভূমিকম্প: পৃথিবীর আঘাতের প্রতিক্রিয়া

ভূমিকম্প হলো পৃথিবীর ভিতর থেকে স্থিরভাবে শক্তি মুক্ত করার ফলে সৃষ্ট তরঙ্গমূলক আঘাতের সময় সৃষ্ট আঘাত বা ঝড় যায়। এই ঘটনার ফলে পৃথিবীর সামান্য থেকে বৃদ্ধি হয় এবং এটি তরঙ্গমূলকভাবে প্রসারিত হয় যাতে আঘাতের প্রতিক্রিয়া প্রস্তুত হতে পারে।

ভূমিকম্পের মূল কারণ পৃথিবীর ভিতরে থাকা মহাশক্তির স্থিরভাবে মুক্তি পাওয়া। এই শক্তি যা পৃথিবীর ভিতরে থাকা উষ্ণতা এবং অক্ষেপের ফলে তৈরি হয়। প্রাকৃতিক সংক্রমণের ফলে এই শক্তির স্থানান্তরিত হয় এবং পৃথিবীর পৃথিবীর পৃষ্ঠতলে বহন হয়। এই চলাচল সৃষ্ট করে যা ভূমিকম্পের জন্য আবহাওয়া বা পূর্বাভাস তৈরি করে।

ভূমিকম্পের ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা পরিবর্তন হতে পারে, জলে অস্থিরতা অথবা তরঙ্গে পরিবর্তন ঘটতে পারে এবং এটি প্রাকৃতিক দুর্বলতা সৃষ্ট করে যা আবহাওয়া পরিবেশে প্রভাব ডাকে।

ভূমিকম্প সাধারণভাবে আত্মপ্রকাশ করতে হয় যখন পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া বা প্রাকৃতিক ঘটনা এই শক্তির মুক্তি দেয়।

এই উপায়ে, ভূমিকম্প বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, এবং আমরা এটি উপায়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাবলিয়ে থাকি।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2023 Bnrepoter
Design Customized By Shakil IT Park